আযানের বাক্য ২ বার করে ও ইকামাতের বাক্য ১ বার করে বলা
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৫৭৬, ৫৭৮, ৫৭৯, ৫৮০, ৩২১১
সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাব্লিকেশন) - ৬০৩, ৬০৫, ৬০৬, ৬০৭, ৩৪৫৭
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৭২৪, ৭২৫, ৭২৭
সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী) - ৭২৪, ৭২৫, ৭২৭
সুনান আবূ দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৫০৮
সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত) (আল্লামা আলবানী একাডেমী) - ৫০৮
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ১৯৩
সুনান আত তিরমিজী (হুসাইন আল-মাদানী) - ১৯৩
সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৬২৮
সহীহ বুখারী ৬০৩. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (জামা‘আতে সালাত আদায়ের জন্য) সহাবা-ই কিরাম (রাযি.) আগুন জ্বালানো অথবা নাকূস বাজানোর কথা আলোচনা করেন। আবার এগুলোকে (যথাক্রমে) ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রথা বলে উল্লেখ করা হয়। অতঃপর বিলাল (রাযি.)-কে আযানের বাক্য দু’বার করে ও ইক্বামাতের বাক্য বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়।
সহীহ বুখারী ৬০৫. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের শব্দ দু’ দু’বার এবং قَدْقَامَتِ الصَّلاَةُ ব্যতীত ইক্বামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল।
সহীহ বুখারী ৬০৬. আনাস ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন; মুসলিমগণের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে তাঁরা সালাতের সময়ের জন্য এমন কোন সংকেত নির্ধারণ করার প্রস্তাব দিলেন, যার সাহায্যে সালাতের সময় উপস্থিত এ কথা বুঝা যায়। কেউ কেউ বললেন, আগুন জ্বালানো হোক, কিংবা ঘণ্টা বাজানো হোক। তখন বিলাল (রাযি.)-কে আযানের শব্দগুলো দু’ দু’বার এবং ইকামাতের শব্দগুলো বেজোড় বলার নির্দেশ দেয়া হলো।
সহীহ বুখারী ৬০৭. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযি.)-কে আযানের বাক্যগুলো দু’ দু’বার এবং ইক্বামাতের বাক্যগুলো বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়। ইসমাঈল (রহ.) বলেন, আমি এ হাদীস আইয়ূবের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, তবে ‘কাদ্কামাতিস্ সালাতু’ ছাড়া।
সহীহ বুখারী ৩৪৫৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাঁরা আগুন জ্বালানো এবং ঘণ্টা বাজানোর কথা উল্লেখ করলেন। তখনই তাঁরা ইয়াহূদী ও নাসারার কথা উল্লেখ করলেন। অতঃপর বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দু’ দু’ বার করে এবং ইকামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলতে নির্দেশ দেয়া হল।
সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৭২৪, ৭২৫, ৭২৭
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) ৬৪১-[১] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (সালাতে শরীক হবার জন্য ঘোষণা প্রসঙ্গে) আগুন জ্বালানো ও শিঙ্গায় ফুঁক দেবার প্রস্তাব হলো। এটাকে কেউ কেউ ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের প্রথা বলে উল্লেখ করেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলালকে নির্দেশ দিলেন আযান জোড়া শব্দে ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বেজোড় শব্দে দেয়ার জন্য।
হাদীস বর্ণনাকারী ইসমা’ঈল বলেন, আমি আবূ আইয়ূব আল আনসারীকে (ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বেজোড় দেয়া সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তবে ’’ক্বদ্ ক্ব-মাতিস্ সলা-হ্’’ ছাড়া (অর্থাৎ- ’ক্বদ্ ক্ব-মাতিস্ সলা-হ্’ জোড় বলতে হবে)।
সুনান আদ-দারেমী ১২২৭. (অপর সূত্রে) আবী কিলাবা হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান বাক্যসমূহ জোড়া জোড়া এবং ইকামাতের বাক্যসমূহ বিজোড়ভাবে বলার নির্দেশ প্রদান করা হয়, তবে ’ইকামত (এর অতিরিক্ত বাক্যগুলি)[1] ব্যতীত।[2]
সুনান আন-নাসায়ী (তাহকীককৃত) (হাদিস একাডেমি) - ৬২৭
সুনান ইবনু মাজাহ (তাওহীদ পাবলিকেশন) - ৭২৯, ৭৩০
মিশকাতুল মাসাবীহ (হাদিস একাডেমি) - ৬৪১
সুনান আদ-দারেমী (হাদিসবিডি ডট কম)- ১২২৬, ১২২৭
আল-লুলু ওয়াল মারজান (তাওহীদ পাবলিকেশন) - ২১৪
বুলুগুল মারাম (তাওহীদ পাবলিকেশন) - ১৮১
সহীহ বুখারী
সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৫৭৬, ৫৭৮, ৫৭৯, ৫৮০, ৩২১১
সহীহ বুখারী ৩৪৫৭. আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, তাঁরা আগুন জ্বালানো এবং ঘণ্টা বাজানোর কথা উল্লেখ করলেন। তখনই তাঁরা ইয়াহূদী ও নাসারার কথা উল্লেখ করলেন। অতঃপর বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দু’ দু’ বার করে এবং ইকামাতের শব্দগুলো বেজোড় করে বলতে নির্দেশ দেয়া হল।
সহীহ মুসলিম
সহীহ মুসলিম ৭২৪. খালাফ ইবনু হিশাম ও ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
সহীহ মুসলিম ৭২৭. উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) কে আযান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাত বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সুনান আবূ দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৫০৮,
সুনান আবূ দাউদ ৫০৮। আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলালকে আযান জোড় ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বেজোড় সংখ্যায় বলার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়। হাম্মাদ তার হাদীসে আরো বলেন, কিন্তু ’’ক্বাদ ক্বামাতিস সলাহ’’ বাক্যটি ছাড়া (অর্থাৎ এ বাক্যটি দু’বার বলতে হবে)।
সুনান আত তিরমিজী ১৯৩। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দুইবার এবং ইকামাতের শব্দগুলো এক একবার বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সুনান আন-নাসায়ী ৬২৭. কুতায়বাহ্ ইবনু সাঈদ (রহ.) ..... আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বিলাল (রাঃ)-কে আযান (এর বাক্যগুলো) দু’বার করে বলার এবং ইকামত (এর বাক্যগুলো) একবার করে বলার নির্দেশ দিলেন।
সুনান ইবনু মাজাহ ৭২৯। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সাহাবীগণ সালাতের ওয়াক্তের সংকেতবাহী কোন পন্থা খুঁজছিলেন। তখন বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দাবলী দুবার করে এবং ইকামতের শব্দাবলী একবার করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়।
সুনান ইবনু মাজাহ ৭৩০। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) কে আযানের শব্দাবলী জোড় সংখ্যায় এবং ইকামতের শব্দাবলী বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়।
- বিলাল (রাযিঃ) কে আযানের শব্দ জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাতের শব্দ বেজোড় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
- ইয়াহইয়া তার বর্ণনায় ইবনু উলাইয়্যাহ এর সূত্রে বলেছেন, তিনি আইয়ূব এর কাছে এ হাদীস বর্ণনা করলে তিনি বললেন, কিন্তু 'কাদ্কা- মাতিস্ সলা-হ্' শব্দটি ব্যতীত (এটি দু'বার বলবে) বাকী শব্দগুলো একবার করে বলবে।
সহীহ মুসলিম ৭২৫. ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ..... আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
- (লোকেদের) সলাতের সময় জানানোর উদ্দেশে একটা কিছু নির্দিষ্ট করার জন্যে সাহাবাগণ পরস্পর আলোচনা করলেন। তারা বললেন, আগুন জ্বালানো হোক অথবা নাকুস (ঘণ্টা) বাজানো হোক।
- বিলালকে আযানের শব্দগুলো দু’বার এবং ইকামাতের শব্দগুলো একবার করে উচ্চারণ করার নির্দেশ দেয়া হল।
সহীহ মুসলিম ৭২৭. উবাইদুল্লাহ ইবনু উমার (রহঃ) ..... আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাযিঃ) কে আযান জোড় সংখ্যায় এবং ইকামাত বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
সুনান আবূ দাউদ
সুনান আত তিরমিজী
সুনান আত তিরমিজী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ১৯৩,
সুনান আত তিরমিজী ১৯৩। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ)-কে আযানের শব্দগুলো দুইবার এবং ইকামাতের শব্দগুলো এক একবার বলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ অনুচ্ছেদে ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণনাকৃত হাদীসও রয়েছে। আবু ঈসা বলেনঃ আনাস (রাঃ)-এর হাদীসটি হাসান সহীহ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কতক সাহাবা, তাবিঈন, ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এই মতের সমর্থক (ইক্বামাত/ইকামত/একামত)-এর শব্দগুলো একবার করে বলতে হবে)।
সুনান আন-নাসায়ী
সুনান আন-নাসায়ী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) - ৬২৮,
সুনান ইবনু মাজাহ
সুনান ইবনু মাজাহ ৭৩০। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) কে আযানের শব্দাবলী জোড় সংখ্যায় এবং ইকামতের শব্দাবলী বেজোড় সংখ্যায় বলার নির্দেশ দেয়া হয়।
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) ৬৪১-[১] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, (সালাতে শরীক হবার জন্য ঘোষণা প্রসঙ্গে) আগুন জ্বালানো ও শিঙ্গায় ফুঁক দেবার প্রস্তাব হলো। এটাকে কেউ কেউ ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের প্রথা বলে উল্লেখ করেন। তারপর তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বিলালকে নির্দেশ দিলেন আযান জোড়া শব্দে ও ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বেজোড় শব্দে দেয়ার জন্য।
হাদীস বর্ণনাকারী ইসমা’ঈল বলেন, আমি আবূ আইয়ূব আল আনসারীকে (ইক্বামাত(ইকামত/একামত) বেজোড় দেয়া সম্পর্কে) জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বললেন, তবে ’’ক্বদ্ ক্ব-মাতিস্ সলা-হ্’’ ছাড়া (অর্থাৎ- ’ক্বদ্ ক্ব-মাতিস্ সলা-হ্’ জোড় বলতে হবে)।
সুনান আদ-দারেমী
সুনান আদ-দারেমী ১২২৬. আবী কিলাবা হতে বর্ণিত, আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে আযান বাক্যসমূহ জোড়া জোড়া এবং ইকামাতের বাক্যসমূহ বিজোড়ভাবে বলার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
আল-লুলু ওয়াল মারজান
আল-লুলু ওয়াল মারজান ২১৪. আনাস (রাযি.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (জামা’আতে সালাত আদায়ের জন্য) সাহাবা-ই কিরাম (রাযি.) আগুন জ্বালানো অথবা নাকূস বাজানোর কথা আলোচনা করেন। আবার এগুলোকে (যথাক্রমে) ইয়াহুদী ও নাসারাদের প্রথা বলে উল্লেখ করা হয়। অতঃপর বিলাল (রাযি.)-কে আযানের বাক্য দু’বার করে ও ইকামাতের বাক্য বেজোড় করে বলার নির্দেশ দেয়া হয়।
বুলুগুল মারাম
বুলুগুল মারাম- ১৮১। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, বিলাল (রাঃ) যেন জোড়া বাক্যে ’আযান’ ও বিজোড় বাক্যে ’ইকামাত’ দেন (কাদকামাতিস সালাহ) দু’বার। এভাবে (আযান-ইকামত) দেয়ার আদেশ দেয়া হয়েছিল। তবে মুসলিমে ইল্লাল ইকামাত তথা ’কাদকামাতিস সালাহ’ দু’বার বলতে হয়- কথার উল্লেখ করেননি।

Comments
Post a Comment